আপন সাম্রাজ্যের আপন; সাম্রাজ্যের কয়টি আপন আর কয়টি বা পর
জীবাণুদের বিরুদ্ধে জিততে হলে এক্সপেরিমেন্ট এবং এবং কন্ট্রোলড এক্সপেরিমেন্টের অনেক প্রয়োজন কন্ট্রোল না থাকলে জীবাণুদের বৃদ্ধি সম্বন্ধে কোনো ধারণা করা সম্ভব হয় না। " নন্দ একদা করিল ভীষণ পণ ; স্বদেশের তরে যে করেই হোক রাখিবেই সে জীবন। সকলে বলিল আ-হা-হা আ-হা-হা করো কি ,কর কি নন্দলাল। নন্দ বলিল, বসিয়া বসিয়া থাকিব কি চিরকাল…"
ফালতু সাম্রাজ্যঃ আজ আছে কাল নাই শ্রেণি, এরকম শ্রেণি
কথায় বলে, self-help is the best help । ভাববাদী চিন্তায় এই কথাটির বহুমাত্রিকতা রয়েছে। বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমরা self-help কথাটা কি বুঝতে পারে একটি হচ্ছে প্রায়োগিক আরেকটি হচ্ছে প্রয়োগ করার পূর্বে যেটুকু ভাবনা চিন্তা করা দরকার সে হিসেবে দ্যোতনা অর্থ। এ দুটি ক্ষেত্রেই মানুষের কর্মকান্ড প্রসারিত এবং জীবন চাঞ্চল্য বিস্তৃত। যদি জীবন চাঞ্চল্য টাকে হারিয়ে ফেলি তখন আর কর্মকাণ্ড প্রসারিত হতে পারবে না সুতরাং সেলফ-হেল্প কথাটি তখন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে দেখা দেবে।
অন্যথায় মানুষের বিচার বুদ্ধি সঞ্জাত জ্ঞানকে বৃথাই অর্জন মনে হবে। আসলে কি মানুষের বিচার বুদ্ধি কখনো কখনো অর্থহীন বোধ হয় এটাই মানুষের ভিন্নতার কারণে ঘটে থাকে।একই মানুষের বহুমাত্রিকতার কারনেও বিচার-বিশ্লেষণের প্রামাণ্য দলিল এর প্রয়োজন দেখা দেয়। কারণ এই দুনিয়াটা গেমপ্লের দুনিয়া মানুষ অপরের সাথে খেলতে পছন্দ করে এবং সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে তার নিজের অবস্থান টুকু আয়নায় দেখে নিতে পছন্দ করে। এই আয়নাটি হচ্ছে অপর মানুষের কর্মকান্ড যার সাথে সে একত্রে বসবাস করতে বাধ্যকতা /বাধ্যগত। সুতরাং ভাষার সাম্রাজ্যে অর্থের দ্যোতনা দ্যোতনা একটি বিশাল অভিভাবকত্ব। মানুষ যে কোন কিছু বোঝানোর চেষ্টা করেন সেটি তখন একক অর্থে বোধগম্য করার জন্য ভাষার বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন দেখা দেয় এই মুহূর্তে অনেকেই তখন শাব্দিক অর্থের দিকে জোর দিয়ে থাকেন শাব্দিক অর্থের মাধ্যমে অর্থের দ্যোতনা তৈরি করার প্রবণতা দেখা দেয় এই শব্দের অর্থের দ্যোতনা ভাষার অভিভাবকত্বের ভিতর লুকিয়ে আছে । কিছু কিছু লোক এটিকে রাজ্যের ব্রেইন -গেম - প্লে হিসেবে দেখতে খুব ভালোবাসে। এটাও বহু প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসে এভাবেই মানুষের জীবনে তার সমাজ জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বহু কল্পকাহিনীর মাধ্যমিক শিক্ষা মূলক প্রচার চালিয়ে দেওয়া যায়।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের ভিতরে একটি প্রাণী জগতের আদিমতার গন্ধ লুকায় থাকে অর্থাৎ ভাবগাম্ভীর্যএর সাথে প্রাণিজগতের সম্পর্ক আছে। মানুষ বিশ্বাস ও নিঃশ্বাসে প্রাণিজগতের একটি অংশবিশেষ এবং সার্বিক অর্থে তাইতো প্রাণী বটে। এবার নন্দলাল নয় বরং অনেক লোক একত্রে কিন্তু চিন্তা করে যে তারা ভালো কাজে নিজেদেরকে উৎসর্গ করবে। এটা স্বাভাবিক কোনো চিন্তা নয় বরং প্রাক বা সাবেকি ধাঁচের( প্রাগুক্ত) কোন চিন্তার এটা অংশবিশেষ। যখন সামাজিক মানুষের ইচ্ছা শক্তির উদ্ভব হয় এবং সেই ইচ্ছাশক্তি এমনই দৃঢ় থাকে( অর্থনৈতিক মনে) যে, সে কোন কিছু জানতে চায় বা জানার প্রয়োজন এর তরে বর্তমান পরিবেশটা খুবই উপযুক্ত। কিংবা ভঙ্গুর বাস্তবতায় জ্ঞানার্জনের বাধ্যবাধকতায় অসহনীয় একটি সঙ্গা সেখানে (কেন) যে ন উপস্থিত। এহেন অবস্থা যখন বিরাজমান সেটা তখন দেশ রাষ্ট্রের পরিধি ডিঙিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গন পর্যন্ত পৌছে যায়,তখন সেই বিশেষ ইচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গন যুদ্ধ-বিগ্রহ দ্বারাই ঠাসা যেন; সুতরাং সর্বত্রই আছে একটি যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি!
এই পরিস্থিতি আসলে সামাজিক বাস্তবতা থেকে উদ্ভব হলেও এটি আসলে সমাজের কিছু সত্যকেই ভায়োলেট করে চলে চলেছে। সেসব সত্য যেমন, বন্ধুত্ব, ব্যাক্তি ইচ্ছাশক্তির অনুভব এবং পরোপকারের স্পৃহা ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব তখন ব্যাপকভাবে ভায়োলেট হতে দেখা যায় এই বিশেষ শ্রেণীর দৃঢ় ভাবে বিন্যস্ত ওই ইচ্ছাশক্তির হাতে। সুতরাং (জানো/ কেন/) যেন আমার আমিত্বকে বিভিন্নভাবে পূর্বাণী/ পূর্বাহ্নে/৫২ শেয়ার করে নিয়েছিলো,এখন ছোট করা হয়েছে, ভায়োলেট করা হয়েছে এবং হত্যা করা হয়েছে।
এইযে আমার আমিত্ব অবশেষে হতাশ হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সমাজের কোনো রকমের প্রভাব-প্রতিপত্তি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই আমিত্বের আমি কোন আপন বলয়কে ঘিরে থাকে,কোন আপন বৃত্তে বন্দী। একটিমাত্র ব্যক্তির প্রদত্ত জ্ঞানের মাধ্যমে এটা কি জানা সম্ভব আগে থেকেই, কী সেটা বোঝা সম্ভব পরবর্তী আরেক উদাহরণের দ্বারা যেন এমনই করে আমিত্বের বোঝাটি টানতে হবে?কোন সমস্যার জিরো জিরো দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির ঋদ্ধতায়।
আমার আমিত্বের এ ভায়োলেশন টি অত্যন্ত বিশাল এবং সে হিসাবে আন্তর্জাতিক সকল রীতিনীতির ভঙ্গ করা এবং সমাজের সকল কিছুরই ভায়োলেট করা হয়েছে। সম্ভবত ওই দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির কারণেই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন